টাঙ্গাইলের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ডা.এম.এ. মান্নানের মা’র রোগমুক্তি’তে দোয়া মুনাজাত

টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী মানবিক প্রতিষ্ঠান মুকতাদির হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মানবিক চিকিৎসক ডা.এম.এ. মান্নান এ-র মাতা 'মনোয়ারা বেগম' দীর্ঘ এক মাস যাবত গলার ক্রনিক এবসেস, থাইরয়েড ও ডায়বেটিসসহ নানান রোগে ভুগছেন। তিনি বর্তমানে টাংগাইলের একটি পহাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।

মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) ডা.এম.এ.মান্নান এ-র মাতা মনোয়ারা বেগমের আশু রোগমুকি কামনায় পৃথক দুইটি স্থানে দোয়া মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার বাদ আসর ধলেশ্বরী হাসপাতালে ও বাদ মাগরিব কলেজ পাড়া জামে মসজিদে পৃথক দোয়া  মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও বিএমএসএস এ-র পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে রোগ মুক্তির জন্য দোয়া চেয়ে বিবৃতি দিয়েছেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান খন্দকার আছিফুর রহমান। 

এ সময় উপস্থিত টাংগাইল হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা.তোফাজ্জল হোসেন, টাংগাইল সাধারণ ছাত্র কল্যাণ পরিষদের সেক্রেটারী জেনারেল মো. আনোয়ার হোসাইন, আলীগড় সাংস্কৃতিক সংসদের সাবেক মহাপরিচালক মেহেদী হাসান মোমিন, তারুণ্য ২৪এর স্টাফ রিপোর্টার সাংবাদিক মো.শামীম হোসাইন প্রমূখ।

হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক জানান- আমাদের আন্ডারে নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকা মনোয়ারা বেগমের পূর্ণ আরোগ্য হতে আরও সময় লাগবে। ধৈর্য ধরতে হবে। নিয়মিত ড্রেসিংসহ প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং রুটিন চেকআপ চলছে।

এদিকে মায়ের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে দেশবাসীর নিকট দোয়া প্রার্থনা করে ডা. এম.এ. মান্নান বলেন-আমার আম্মা শারীরিকভাবে অসুস্থ হওয়ায় টাংগাইলের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ইএনটি ও সার্জন এ-র তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন আছেন। আল্লাহর অশেষ রহমতে মায়ের বর্তমান শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে ভাল।

আমি আমার মাতার সুস্থতার জন্য সকলের নিকট দোয়া চাই। আমি আশাবাদী মহান আল্লাহ রহমতে সকলের দোয়ায় অতি দ্রুত আমার মাতা সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবেন, ইনশাআল্লাহ্।

উল্লেখ্য ডা. এম.এ. মান্নান টাঙ্গাইলের নাগরপুরের ঐতিহ্যবাহী মানবিক প্রতিষ্ঠান মুকতাদির হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক। চিকিৎসা পেশার পাশাপাশি তিনি জাতীয় দৈনিক সংগ্রাম, সাপ্তাহিক চলনবিলের আলো, তারুণ্য ২৪ তে সাংবাদিকতাসহ চিকিৎসা ও শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত আছেন।

Next Post Previous Post