হোমিওপ্যাথিক ছাত্র ও চিকিৎসক উন্নয়ন সংগঠনের দাবি ও লক্ষ্য উদ্দেশ্য

 আর্ত মানবতার সেবা, হোমিওপ্যাথির উন্নয়ন ও অধিকার আদায়ে আমরা সোচ্চার। এ অঙ্গিকারকে সামনে রেখে ছাত্র ও চিকিৎসকদের সমন্বয়ে  প্রতিষ্ঠিত হয়েছে "হোমিওপ্যাথিক ছাত্র ও চিকিৎসক উন্নয়ন সংগঠন" 

হোমিওপ্যাথিক ছাত্র ও চিকিৎসক উন্নয়ন সংগঠনের দাবি সমূহ :

১.বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ডের অধিনে ডিএইচএমএস পাশ করার পর পাঁচ বছর পর পর রেজিষ্ট্রেশন নবায়ন পদ্ধতি বাতিল করতে হবে এবং ডিএইচএমএস পাাশের মান সমমান স্নাতক ডিগ্রি দিতে হবে। পূর্বের ন্যায় বিএইচএমএস কনডেন্স কোর্স চালু করতে হবে। 

২. ফার্মাসিষ্ট কোর্স করানোর ব্যাপারে সরকারের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে এবং যে সব চিকিৎসক চিকিৎসার পেশায় জড়িত অথচ তাদের কোন সনদপত্র নাই বা ফার্মাসিস্ট করা নাই তাদেরকে সনদপত্র স্বল্প প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

৩. ডিএইচএমএস ডাক্তারদের সরকারি চাকরির ব্যবস্থা করা  ও বিএইচএমএস ডাক্তারদের চাকরির সুযোগ বর্ধিত করা। হোমিওপ্যাথির জন্য কল্যাণকর হয় এমন হোমিওপ্যাথিক আইন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। 

৪. হোমিওপ্যাথিক ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠা করা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো প্রত্যেকটা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএইচএমএস  ইউনিট প্রতিষ্ঠা করা।

৫. সরকারি ভাবে হোমিওপ্যাথিক  গবেষনাগার প্রতিষ্ঠা করা।

৬. প্রত্যেক উপজেলায় হোমিওপ্যাথিক হাসপাতাল তৈরি করা এবং যোগ্যতা অনুযায়ী ডিএইচএমএস দের নিয়োগ দেওয়া।

৭. বাংলাদেশের সমস্ত হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ২৪ ঘন্টা রোগী ভর্তির ব্যবস্থা করা এবং চিকিৎসা সেবা প্রদান করা এবং এর জন্য যা যা মেডিকেল সরঞ্জাম দরকার সবকিছুর পরিপূর্ণ ব্যবস্থা করা।

৮. হোমিওপ্যাথিক কাউন্সিল গঠন করা। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পেশাকে দেশীয় সম্পদ মনে করে এর সেবা কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে দেশের জনগণের দোড় গোড়ায় পৌঁছে দেয়া।

৯. ডিএইচএমএস চিকিৎসকদের ডাঃ পদবী বহাল রাখা।


হোমিওপ্যাথিক  ছাত্র ও চিকিৎসক উন্নয়ন সংগঠনের লক্ষ্য উদ্দেশ্য  সমূহ :

১. বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড কর্তৃক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ডাক্তারদের চিকিৎসা প্রদানে হয়রানি বন্ধের ব্যাপারে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কথা বলা। 

২.দরিদ্র ও মেধাবী ছাত্র ছাত্রীদের সাংগঠনিকভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া।

৩.হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সম্বন্ধে জনগণকে সঠিক ধারণা দিতে তৃণমূল পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা। 

৪.হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের প্যাথলজি রিপোর্ট বিষয়ক হাতে-কলমে শিক্ষাদান।

৫.বাংলাদেশে প্রচলিত হোমিওপ্যাথিক শিক্ষা বাস্তবায়নের লক্ষে প্রত্যেক বিভাগের একটি করে গবেষণাগার ও স্টাডি সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা।

৬.অফলাইন ও অনলাইন হোমিওপ্যাথিক শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা।

৭.সবার সম্মিলিত উদ্যোগ ও প্রচেষ্টায় সর্বোচ্চ মান সম্মত তথ্যবহুল হোমিও পুস্তক প্রকাশ করা।


বিঃদ্রঃ এটা সংগঠনের প্রাথমিক খসড়া। দাবি আদায়ে সময়ের প্রয়োজনে সংগঠনের অধিকাংশ সদস্য ও দায়িত্বশীলদের পরামর্শে পূর্নাঙ্গ কর্মসূচি, কর্মপদ্ধতি গঠন করা হবে। 

আপনি যদি হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল ছাত্র/ছাত্রী অথবা হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক হয়ে থাকেন, অধিকার আদায়ে আমাদের সংগঠনে আপনাকে স্বাগতম। 

বিভাগীয় এবং জেলা কমিটি গঠনে সারা দেশে সদস্য সংগ্রহ চলমান রয়েছে। সংগঠনের একজন গর্বিত সদস্য হওয়ার জন্য আহ্বান করা হলো। 


আহ্বানে :

হাফেজ মোঃ আব্দুর রহমান 

কেন্দ্রীয় সভাপতি, 

হোমিওপ্যাথিক ছাত্র ও চিকিৎসক উন্নয়ন সংগঠন।

Next Post Previous Post